চ্যালেঞ্জ নিয়েই ইন্টারনেট চালু রেখেছে সেবাদাতারা

২৮ মার্চ, ২০২০ ১৬:৪৬  
করোনা চ্যালেঞ্জ নিয়েই গ্রাহক সেবা দিচ্ছে দেশের টেলিকম ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতারা। বেসরকারি সংস্থাগুলোর পাশাপাশি সোচ্চার রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোও। এক্ষেত্রে প্রতিকূল পরিস্থিতেই সেবা দিতে হচ্ছে বেসরকারি সেবাদাতাদের। নেটওয়ার্ক চালু রাখতে অফিস খোলা রাখা, যাতায়াত এমনকি কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগের মধ্যেই সেবা অব্যাহত রেখেছেন তারা। ছুটির দিন শুক্রবার দুটি স্থানে জরুরি সেবা দিতে দেখা গেছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড- বিটিসিএল কর্মীরা। পিপিই পরিধান করে গাজীপুর চৌরাস্তায় বিচ্ছিন্ন হওয়া সংযোগ ঠিক করা হয়েছে। নিজেদের কাস্টমার কেয়ারে সরাসরি সেবা দিয়েছে মোবাইল অপারেটর টেলিটক। গ্লাভসসহ পুরো পিপিই পরিহিত অবস্থায় কাস্টমার কেয়ারে সেবা দিচ্ছেন টেলিটক কর্মীরা। তবে একই দিন সেবা দিতে গিয়ে কোথাও কেথাও হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে বেসরকারি ব্রডব্রান্ড সেবাদাতাদের। খোদ রাজধানীর মোহাম্মাদপুরেই অফিস খোলা রাখায় পুলিশি হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে ইন্টারনেট ব্যবসায়ী। আইএসপিএবি’র তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে ১০-১২টি জায়গায় এমন হেনস্থার শিকার হয়েছেন অনেকেই। মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকেও একই অভিযোগ পাওয়া গেছে। গণমাধ্যমে চিঠি দিয়ে বিষয়টি নিয়ে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে। বিষয়টি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর নজরে দেয়া হলে তিনি বলেন,
“এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং নির্বোধের মতো কাজ। আমি ঢাকা ও নেত্রোকনায় এ ধরনের ঘটনার খবর পেয়েছি। যেহেতু ২৪ মার্চ মেবাইল ও ইন্টারনেট সেবাকে জরুরী সেবা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাই হয়তো চিঠিটি থানার দারোগাদের হাতে গেলেও কোনো কোনো পুলিশের কাছে নাও পৌঁছতে পারে। তবে এটা অনভিপ্রেত ও ব্যক্তিগত পর্যায়ের। তবে বড় স্কেলে কিছু হলে আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেবো।”